sasikala

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

প্রয়াত জয়ললিতার সঙ্গী হয়ে শশিকলা ওরফে চিনাম্মা বেঙ্গালুরুর পরাপ্পনা অগ্রহরা সেন্ট্রাল জেলে ঢুকেছিলেন ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে।

সেসময় এআইএডিএমকে দলের সমর্থকরা ‘আম্মা’ খ্যাত জয়ললিতার জেলযাত্রার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে জড়ো হয়েছিলেন জেল গেটের সামনে।

কিন্তু এবারের চিত্রটা ঠিক এর উল্টো। জেলের সামনে আড়াই বছর আগের মতো সেই ভিড় নেই। শশিকলার জেল যাত্রার প্রতিবাদ জানাতে খুব অল্প সংখ্যক দলীয় কর্মী-সমর্থকই জেল গেটের সামনে এসেছিলেন।

বুধবার সন্ধ্যায় জেল গেটের পা রাখার পর থেকেই শশিকলার দুর্দিন শুরু হয়ে যায়। আগামী ৩ বছর ১১ মাস যে তার সুখে কাটবে না পোয়েজ গার্ডেনের প্রাসাদ ছেড়ে আসা শশিকলা তা ভালো করেই বুঝতে পেরেছেন।

জেলে শশিকলা নটরাজন একজন কয়েদির চেয়ে বেশি কিছু নন। নিজের সঙ্গে ৩ টি শাড়ি রাখার অনুমতি পেয়েছেন। রাতের বেলা ঘুমানোর জন্য তাকে দেওয়া হয়েছে একটি কম্বল, চাদর ও বালিশ। সকালের খাবার খেয়েছেন ভাত আর আচার দিয়ে।

বুধবার আত্মসমর্পন করার পর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে শশিকলা নটরাজন ক্লাস ওয়ান সেলের আবেদন জানিয়েছিলেন। ক্লাস ওয়ান সেলের সুবিধা হলো সেখানে টিভি, বাসার খাবার ও সপ্তাহে দুদিন আমিষ খাবার পাওয়া যায়। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট এই রকম কোনো সেল শশিকলার জন্য বরাদ্দ করতে রাজি হননি। জেলের মধ্যে শশিকলার জন্য একটি ধ্যান কক্ষ বরাদ্দ করার আবেদনও তিনি নাকচ করে দেন। জয়ললিতা আগের বার যে সেলে ছিলেন, তার পাশের সেলটি চাইলে তাও দিতে অস্বীকৃতি জানায় জেল কর্তৃপক্ষ।

তবে জেল কর্তৃপক্ষ, তার মানিয়ে নেওয়ার সুবিধার্থে কাউন্সেলিং-এর ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছে।

আদালত শশিকলা নটরাজনকে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। জেলে তাই শশিকলার জন্য মোমবাতি বানানোর কাজ বরাদ্দ করা হয়েছে। নিজের সেলে বসে প্রতিদিন মোমবাতি বানিয়ে তিনি মজুরি পাবেন ৫০ টাকা।

এজেড/

কোন মন্তব্য নেই

মতামত দিন