নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বিশ্বব্যাংক নিয়ে সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য অশুভ লক্ষণ। এতে দেশ যে কোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, পদ্মা সেতুর ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের মামলায় কানাডীয় আদালতের রায়ের পর সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের নেতাদের লাফালাফি, দাম্ভিকতায় বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে পারে। এতে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নে সংকট দেখা দিতে পারে।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ এখনো বাংলাদেশে চলমান আছে। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি খাতে তাদের বড় বড় প্রকল্প রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক সবচেয়ে বড় দাতা সংস্থা। কিন্তু কানাডীয় আদালতে রায়ের পর সরকারের মন্ত্রীরা বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করায় সম্পর্কের অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ সরকারের নির্দেশেই এনবিআর ও দুদক বাংলাদেশের অফিসে কাজ করা বিশ্বব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের কার্যক্রম খতিয়ে দেখে তাদের দুর্নীতির তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে এনবিআর বিশ্বব্যাংকের ১৬টি গাড়ি তলব করেছে। এত কিছুর পরও বিশ্বব্যাংক তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি।

তিনি আরো বলেন, সরকারের মন্ত্রী ও নেতাদের কথায় মনে হয়, তারা যেন হঠাৎ করে দুধ দিয়ে গোসল করে নতুন গ্রহ থেকে আবির্ভূত হয়েছেন। এই মন্ত্রী ও নেতারা সারা দেশকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য বানিয়েছেন। এমন কোনো খাত নেই যেখানে দুর্নীতি নেই। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে তারা এখন সুইস ব্যাংক ভরে ফেলেছেন। লুট করে দেশের সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ফোকলা করে দেওয়া হয়েছে। শেয়ার মার্কেটের লাখো কোটি টাকা লোপাট করে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ও তাদের আত্মীয়স্বজনেরা।

এনজে/

কোন মন্তব্য নেই

মতামত দিন