• বুধবার, ১৭ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮ জুন ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ

শিক্ষিকার সাথে অশালীন আচরণের অভিযোগ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশ:  ১৮ জুন ২০১৭, ১৬:৪৬ | আপডেট : ১৮ জুন ২০১৭, ১৬:৪৭
ঢাবি প্রতিনিধি।।

“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার সঙ্গে শিক্ষকের অশালীন আচরণের অভিযোগ” নিয়ে পূর্বপশ্চিমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ঢাবির সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের  অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ। 

গণমাধ্যমে পাঠানো ওই ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, আমি সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ও একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। গত ১২ জুন সিএ্যান্ডডি কমিটির সভায় যথারীতি আমি যোগ দিই এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার স্বাক্ষর গ্রহণ করেন। কাজেই ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক তানিয়া রহমানের ভাষায়, ‘সভা সমাপ্তির পরে’ আমি সভায় যোগ দিয়েছি,  এ তথ্য অসত্য ও বানোয়াট। 

সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিউটের বর্তমান পরিচালক ‘নারীর প্রতি অবমাননা’ বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন তা অসত্য ও আপত্তিকর। আমি উল্লিখিত সভা শেষে পরিচালকের কাছে স্পেশালাইসড মাস্টার্স প্রোগ্রামে ক্লাস না দেয়ার বিষয়ে জানতে চেয়েছি মাত্র। আমি একজন বয়োজ্যেষ্ঠ অধ্যাপক। শিক্ষকতা জীবনের এ পর্যায়ে আমার বিরুদ্ধে নারীর প্রতি অবমাননার কথিত অভিযোগের কথা শুনে আমি হতবাক ও বিস্মিত হয়েছি। 

তিনি আরো বলেন, আমি শুধু শিক্ষক নই, একজন সংস্কৃতি কর্মীও। বর্তমানে আমি জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আচার-আচরণে সকল প্রকার শালীনতা এবং সব মানুষের প্রতি সংবেদনশীলতা বজায় রাখাই আমাদের জীবনের পাথেয়। সামগ্রিক বিষয়টি একটি মহল কর্তৃক ধারাবাহিকভাবে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে সাজানো বলে আমার বিশ্বাস। আমি এহেন মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদের বিরুদ্ধে অশালীন ও মারমুখী আচরণের অভিযোগ এনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক তানিয়া রহমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদের কাছে লিখিতভাবে একটি অভিয়োগ জানিয়েছেন। অভিযোগ পত্রে তিনি ঘটনার জন্য বিচার দাবি করেছেন।