• বুধবার, ১৭ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮ জুন ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ

বাবা তুমি ছিলে খুব কাছের…

প্রকাশ:  ১৮ জুন ২০১৭, ১৩:৫৪ | আপডেট : ১৮ জুন ২০১৭, ১৩:৫৫
শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ।।

পৃথিবীর সুন্দরতম শব্দগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর শব্দ ‘বাবা’। বাবা হলেন অদ্বিতীয় আলো। যার আলোয় আলোকিত হয়েই আমাদের সারা জীবনের পথচলা। আমরা এই সন্তানদের সব দায়-দাযিত্ব নিঃস্বার্থভাবে কাঁধে নিয়ে হাসিমুখে সৃষ্টির শুরু থেকে বিন্দু বিন্দু করে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে কামনা করেন আমাদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য। বাবা ছাড়া আর কে দেবেন সন্তানের জন্য এমন বিসর্জন? বাবা শব্দটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নির্ভরতা। রয়েছে এক বিশালতা। বাবা শব্দটি অনেক কঠিন কাজকে করে দেয় সহজ; পাহাড় সমান বিষন্নতাকে শুষে নেয় নিমিষেই।

বাবা তো সেই জন, যার হাতে হাত রেখে হাঁটি হাঁটি পায়ে আমরা এগিয়ে যাই নতুন পৃথিবীর সন্ধানে। যার কাঁধে চড়ে আমরা প্রথম জানতে পারি পৃথিবী রূপ কী। বাবা। তিনি বটবৃক্ষ,নিদাঘ সূর্যের তলে সন্তানের অমল-শীতল ছায়া—তিনি বাবা। বছরের একটি দিনকে সন্তানরা আলাদা করে বেছে নিয়েছেন। আজ বাবা দিবস। সারা বিশ্বের সন্তানরা পালন করবেন এই দিবস। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নেট এবং স্যাটেলাইট টিভির প্রচার দাক্ষিণ্যে বাবা দিবস ঘটা করেই পালিত হচ্ছে। তারপরও এমন ভাবনা অনেকের মধ্যে থাকে যে, বাবার জন্য একদিন কেন! কেউ কেউ বলে থাকেন, বাবা দিবসটা ঠিক আমাদের জন্য নয়। এটি পাশ্চাত্যের। বাবার জন্য আমাদের অনুভূতি প্রতিদিনকার। প্রতি মুহূর্তের। তার জন্য আলাদা দিনের দরকার নেই। কারও কারও অভিযোগ, এ ধরনের দিবসগুলো করপোরেট কিছু বিষয়কেই বিজ্ঞাপিত করে। সত্যিই কি তাই?

প্রতি বছরের জুন মাসের তৃতীয় রবিবার পালিত হয় ‘বাবা দিবস’। এবছর ১৯ জুন তাই এই দিবসটি পালিত হচ্ছে। কিন্তু কী এই দিবস, এর উৎস কী? তাছাড়া, ‘বাবা’ শব্দটা পৃথিবীর অন্যত্র কীভাবে উচ্চারিত হয়? অন্যদেশের শিশুরা বাবাকে কী বলে ডাকে? এসব প্রশ্ন জানা আবশ্যক।

‘বাবা দিবস’ পালন শুরু হয় গত শতাব্দীর প্রথমদিকে। আসলে মায়েদের পাশাপাশি বাবারাও যে তাদের সন্তানের প্রতি দ্বায়িত্বশীল- এটা বোঝানোর জন্যই এই দিবসের পালনের শুরু। পৃথিবীর সব বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছা থেকে যার শুরু। ধারণা করা হয়, ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই প্রথম ‘বাবা দিবস’ পালিত হয়। আমেরিকার পশ্চিম ভার্জেনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় প্রথম এই দিনটি পালিত হয়। আবার সনোরা স্মার্ট ডড নামের ওয়াশিংটনের এক ভদ্রমহিলার মাথাতেও বাবা দিবসের আইডিয়া আসে। যদিও তিনি ১৯০৮ সালের ভার্জিনিয়ার বাবা দিবসের কথা একেবারেই জানতেন না। ডড এই আইডিয়াটা পান এক গির্জায় পুরোহিতের বক্তব্য থেকে, সেই পুরোহিত আবার মা’কে নিয়ে অনেক ভালো ভালো কথা বলছিলেন। তার মনে হয়, তাহলে বাবাদের নিয়েও তো কিছু করা দরকার। ডড আবার তার বাবাকে খুব ভালবাসতেন। তিনি সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগেই পরের বছর, অর্থ্যাৎ ১৯১০ সালের ১৯ জুন থেকে ‘বাবা দিবস’ পালন করা শুরু করেন।

এখন যেমন বাবা দিবস নিয়ে বিভিন্ন আয়োজন হচ্ছে প্রথমদিকে এতোটা ছিলো না। ‘বাবা দিবস’ বেশ টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই পালিত হতো! আসলে ‘মা দিবস’ নিয়ে মানুষ যতটা উৎসাহ দেখাতো, বাবা দিবসে মোটেও তেমনটা দেখাতো না, বরং ‘বাবা দিবস’ এর বিষয়টি তাদের কাছে বেশ হাস্যকরই ছিল । ধীরে ধীরে অবস্থা পাল্টায়। ১৯১৩ সালে আমেরিকান সংসদে বাবা দিবসকে ছুটির দিন ঘোষণা করার জন্য একটা বিল উত্থাপন করা হয়। ১৯২৪ সালে তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কলিজ বিলটিতে পূর্ণ সমর্থন দেন। অবশেষে ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসন বাবা দিবসকে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার ‘বাবা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৮৭টি দেশ দিবসটি পালন করে।

জার্মান ভাষায় বাবা শব্দটি হচ্ছে "ফ্যাট্যা" আর ড্যানিশ ভাষায় "ফার"। আফ্রিকান ভাষায় ‘ভাদের’ হচ্ছেন বাবা! চীনে ভাষায় চীনারা আবার ‘বাবা’ কেটে ‘বা’ বানিয়ে নিয়েছে! ক্রী (কানাডিয়ান) ভাষায় বাবা হচ্ছেন ‘পাপা’ তেমনি ক্রোয়েশিয়ান এ ‘ওটেক’। ব্রাজিলিয়ান পর্তুগিজ ভাষায় বাবা ডাক হচ্ছে ‘পাই’। ডাচ ভাষায় পাপা, ভাডের আর পাপাই এই তিনটি হচ্ছে বাবা ডাক। সবচাইতে বেশী প্রতিশব্দ বোধহয় ইংরেজি ভাষাতেই! ইংরেজরা বাবাকে ডাকেন, ফাদার, ড্যাড, ড্যাডি, পপ, পপা বা পাপা! ফিলিপিনো ভাষাও কম যায় না, এই ভাষায় বাবা হচ্ছেন তাতেই, ইতেই, তেয় আর আমা।

আমরা অনেকে বাবাকে আদর করে হিব্রু ভাষাতেও ডাকি! হিব্রু ভাষায় বাবা হচ্ছে ’আব্বাহ্‌’ তার মানে আমরা যে ‘আব্বা’ বলে ডাকি তাই-ই। হিন্দি ভাষার বাবা ডাকটি অবশ্য কমবেশি সকলেই জানি। সেটা পিতাজী! আবার ইন্দোনেশিয়ান ভাষায় অর্থাৎ সেই ‘বাহাসা ইন্দোনেশিয়া’য় যদি বাবা ডাকি তাহলে সেটা হবে- বাপা কিংবা আইয়্যাহ! জাপানিরা তাদের ভাষায় বাবাকে ডাকেন- ওতোসান, পাপা। পুর্ব আফ্রিকায় অবশ্য বাবাকে ‘বাবা’ বলেই ডাকা হয়!  হাঙ্গেরিয়ান ভাষায় পাপা ছাড়াও বাবা শব্দের অনেকগুলো প্রতিশব্দ আছে, যেমন- আপা, আপু, এদেসাপা। এমন আরো অসংখ্য ভাষাই রয়েছে পৃথিবীতে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশ্ব বাবা দিবস পালন করা হয় এবং এ উপলক্ষে গ্রহণ করা হয় নানাবিধ কর্মসূচি। এই বিশেষ দিনে সন্তানেরা তাদের বাবার প্রতি বিভিন্নভাবে সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করার এক ঐকান্তিক সুযোগ পায়। সার্মথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন উপহার সমগ্রী দেয়ার মাধ্যমে এই প্রর্দশিত ভালোবাসা হয় আরো গাঢ় এবং উজ্জ্বল আনুষ্ঠানিকপূর্ণ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গিফট সপগুলো এ লক্ষ্যে ভিন্ন স্বাদের এবং ভিন্ন আমেজের গিফট হ্যাম্পার তৈরি করে। পিতার পছন্দ অনুযায়ী উপহার সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন  দোকানে সন্তানদের উপস্থিতি ও উৎসাহ থাকে পরিলক্ষনীয়।

২০০৬ সালের এমন দিনে আমি চট্রগ্রামের মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। সেই সময়ে আমার বাবা (প্রয়াত বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সুনীল ব্যানার্জি) আমার ওখানে উপস্থিত ছিলেন। বাবা দিবসে আমি তাঁকে একটি টেবিল ঘড়ি উপহার হিসেবে দিয়েছিলাম। আজ বাবা নেই। উপহার দিয়ে কারো চোখে আনন্দ অশ্রু দেখার সৌভাগ্যও আমার নেই। ঘড়িটি আজও টিক টিক শব্দে সময়ের শ্রোতকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে বাবার সাথে আমার অনাবিল স্মৃতি বিজরিত সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলোতে।

২০০৬ সালের-ই আগস্ট মাসের ২৮ তারিখ বাবার আকস্মিক মৃত্যু হয়। পিতার মৃত্যুর পর আমার ভাগ্যের চাকাটি একদম থেমে গেছে। কতোকিছু পরিবর্তন হচ্ছে, কতো কিছুর পরিবর্তন হবে, কিন্তু আমার এই থেমে থাকা ভাগ্যের চাকাটি হয়তো আর সঞ্চালিত হবে না। নিয়তির নির্মম পরিহাসে আমাকে চিরকাল বয়ে বেড়াতে হবে বাবার আবেগপূর্ণ সকল স্মৃতি...! আমার মতো এতিম ভাগ্যহীনদের প্রতি আজকের দিনে আমার সমবেদনা রইলো।

জানা যায়, ২০১০ সালের বাবা দিবসে কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই ৯৫ মিলিয়ন শুভেচ্ছা কার্ড পেয়েছিলেন বাবারা। বাবা দিবসে প্রিয় সন্তানের কাছ থেকে বাবারা পেয়েছেন শুভেচ্ছা কার্ড। বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বাবাটি দীর্ঘদিন পর দেখা পান প্রিয় সন্তানের। বাংলাদেশে অনেক সন্তান তাদের পিতাকে ভাবে অভাজন। পিতার বুকফাটা আর্তনাদ না শোনার মতো সন্তানও এই সমাজে আছে। আধুনিক সভ্য যুগেও এমন নির্মম বাস্তবতার স্বাক্ষী সরূপ দাঁড়িয়ে আছে সরকারী ৬টি বৃদ্ধাশ্রম। এছাড়াও ঢাকায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে নির্মিত একটি প্রবীণ নিবাস আছে আগারগাঁওয়ে। ফরিদপুরে অরুণিমা নামে আর একটি প্রবীণ নিবাস তৈরি হয়েছে। বেসরকারি পর্যায়ে বেশ কিছু প্রবীণ নিবাস রয়েছে। এর মধ্যে একটি রয়েছে ঢাকার গাজীপুরে। বলার অপেক্ষা রাখে না, বালাদেশ পৃথিবীর দরিদ্রতম ও ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ। বার্ধক্য বাংলাদেশের জন্য একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ যার মোকাবেলা নিতান্তই কঠিন। জাতিসংঘ ৬০ বছর বয়সকে বার্ধক্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ হিসেবে জনসংখ্যার ৬.১ শতাংশ প্রবীণ নর-নারী। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়েবে ১০.১ শতাংশে। উদ্বেগের বিষয় হলো বাংলাদেশে এর প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর হয়ে দেখা দেবে। বাংলাদেশের সামাজিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক নানান পরিবর্তনের কারণে যৌথ পরিবারে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে করে প্রবীণরা তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধিকার অর্থাৎ আশ্রয় ও বাসস্থান হারাচ্ছেন। এক জরিপে দেখা গেছে বাংলাদেশের শতকরা ৮৮ ভাগ প্রবীণেরই কোন না কোন সন্তান বাইরে থাকে। অর্থাৎ এদের সঙ্গে পিতামাতার যোগাযোগ খুব কম হয়। এতে করে বৃদ্ধ পিতামাতারা আর্থ-সামাজিক সমস্যায় ভোগেন। বাংলাদেশে শতকরা ২০ জন হয় একাকী থাকেন অথবা স্বামী-স্ত্রী এক সঙ্গে থাকেন। দরিদ্র প্রবীণদের সংখ্যা শতকরা ৩৭ জন।

যে বাবা সন্তানের কল্যাণের জন্য বহু কষ্ট করে, তাকে মানুষ করার চেষ্টায় নিজের সুখ বিসর্জন দিতে এতোটুকু দ্বিধা করেন না,সেই সন্তান যদি বৃদ্ধ বাবার প্রতি খারাপ আচরণ করে অথবা কোন খোঁজখবর না নেয় তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক আর কি হতে পারে? আমাদের সকলের মনে রাখতে হবে যে আজ আমরা যদি আমাদের বাবার প্রতি খারাপ আচরণ করি, একদিন আমাদের নিজেদের ভাগ্যেও তেমন দিন আসবে। প্রকৃতি অনাচার সহ্য করে না। পিতা-মাতা’র প্রতি এমন গর্হিত অপরাধের কোন ক্ষমা নেই। আজকের এই শুভ দিনে আমরা সকলেই মিলে শপথ করি বাবা-মায়ের প্রতি কোনদিন খারাপ আচরণ করবো না। তাদেরকে সম্মান করবো। ভালোবাসবো। বৃদ্ধাশ্রম যেন কোনো পিতা-মাতা’র আশ্রয়স্থল না হয়, এই প্রত্যাশা রইল।

প্রতিটি সন্তানের উচিত আজকের এই বিশেষ দিনে যে যার সাধ্যমতো বাবাকে ভালোবাসা প্রদর্শন করা। মানুষের জীবন আকাশের রং এর মতো। যে কোন মুহূর্তে জীবনের রং পাল্টে যেতে পারে। হারিয়ে যেতে পারে জীবনের গতি। যাদের বাবা প্রয়াত তারাই শুধু অনুভব করতে পারবে বাবার স্নেহ কতোটা শক্তিশালী। বাবার উপস্থিতি কতোটা সাহস সঞ্চার করতে পারে। পারে কোনো কাজে অভাবাবনীয় অনুপ্রেরণা যোগাতে। প্রতিটি সন্তানের বুক জুড়ে থাকে বাবার প্রতি চির অম্লান শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। এই ভালোবাসা জগতের সকল কিছুর তুলনার ঊর্ধে। আর সেই ভালোবাসা যদি সঠিক সময়ে সঠিক প্রয়োগ না হয়,তাহলে জীবনের প্রতিটি পদে,প্রতিটি পদক্ষেপে নিজেকে নিজের কাছে-ই অপরাধী করে তুলতে পারে। আমি জানি,আমি আমার বাবাকে কতোটা ভালোবাসি। কিন্তু আজ আমার সেই ভালোবাসা আমি কাকে প্রর্দশন করবো? কাকে আমি সেই প্রিয় ‘বাবা’ বলে ডাকবো? আমার ভাগ্যবিড়ম্বিত এই আক্ষেপ অন্তরের। এই জ্বালা কি কোনদিন নিভবে?

জীবন বহমান। সকল হারানো কিংবা শোক-তাপের ঊর্ধেও জীবন স্বীয় গতিতে চলবে। এটাই চিরন্তন সত্য। স্মৃতি শুধুই স্মৃতি। কিছু স্মৃতি বড়ই বেদনাদায়ক। কিন্তু স্মৃতিকে যেমন ভুলে থাকা যায় না তেমনি অস্বীকারও করা যায় না। ভালোবাসার বহতার কথা বলেছেন কবিগুরু রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর। তিনি তাঁর পিতার শেষ অন্তোষ্টি ক্রিয়ার প্রার্থনায় বলেছিলেন, “তাহা (বাবা) আলোকের ন্যায়, সমিরণের ন্যায়, তাহা শিশুকাল হইতে আমাদিগকে নিয়ত রক্ষা করিয়াছে, কিন্তু তাহার মূল্য কেহ কখনো চাহে নাই...!”

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক।।

jsb.shuvo@gmail.com