• বুধবার, ১৭ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮ জুন ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ

সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ, পুলিশের বাধা

প্রকাশ:  ১৯ জুন ২০১৭, ২০:৫৪
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক

পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণে রাঙ্গামাটি যাওয়ার পথে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদশে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি। সোমবার এ কর্মসূচি পালনকালে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

ঢাকা মহানগর বিএনপি পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় দাবি করা হয়, বিভিন্ন থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ বাধা প্রদান করে। নেতাকর্মীরা সকল বাধা উপেক্ষা করে কর্মসূচি সফল করেছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির উদ্যোগে থানায় থানায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত পালন করা হয়। বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা তিন থানা সমন্বয়ে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা এ জি এম শামসুল হক শামসর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ নেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান চেয়ারম্যান, সহ-সাধারণ সম্পাদক তুহিনুল ইসলাম তুহিন, বিএনপি নেতা মোহম্মাদ আলী, মাহমুদুর রহমান, ছাত্রনেতা সাজ্জাদ হোসেন রুবেল, ওলিউজ্জামান মিঠু, আজিজুল হক আলামীন, যুবনেতা জাহাঙ্গীর মোল্লা, দুলু, তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

পল্লবী থানায় কমিশনার সাজ্জাদ, বিএনপি নেতা বুলবুল আহমেদ মল্লিক, আলমাস হোসেন, সোহরাফ হোসেন মোল্লা, আবুল কালাম, আমান উল্লাহ, আব্দুল কুদ্দুস, নজরুল ইসলাম নজুর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল পল্লবীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। তবে খিলক্ষেত থানা বিএনপির উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হলে পুলিশি বাধায় তা পণ্ড হয়ে যায়।

মোহাম্মদ পুরে একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি আতিকুল ইসলাম মতিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশ নেন বিএনপি নেতা এনায়েতুল হাফিজ, বাবুল আহমেদ, আলী কায়সার পিন্টু, দেলোয়ার হোসেন মামুন, কামাল হোসেন, শাওন আহমেদ স্বপন, দেওয়ান বাবু, ইসমাইল প্রমুখ।

দক্ষিণ খান থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল আলী আকবর আলীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আমিরুল ইসলাম বাবুল, রাকিব, সেলিম, খোকা, আবুল হোসেন, আমজাদ, আমান, জাহাঙ্গীর, শাহ জালাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন। বিমানবন্দর থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন থানা বিএনপি নেতা মো. জালাল, মো. জুলহাস পারভেজ, আবদুল মালেক, মো. দেলোয়ার প্রমুখ।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল তালুকদারের নেতৃত্বে উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন মো. শাহীন, মিজান পাটোয়ারী, শালাল মাতব্বর, শাহ আলম বকুল প্রমুখ। মিছিলটি উত্তরা হাউস বিল্ডিং থেকে শুরু হয়ে পলওয়েল মার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

শাহ আলী থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল কমিশনার ফেরদৌসী আহম্মেদ মিষ্টির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশ নেন বিএনপি নেতা কায়সার আহমেদ পাপ্পু, শাহ জামাল বাচ্চু, হানিফ মিয়া, সেলিম বাবুল, মনির প্রমুখ। মিছিলটি মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহ আলী মাজারের সামনে এসে শেষ হয়।

তেজগাঁও থানা বিএনপি নেতা কাজী মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন শাহ আলম হাওলাদার আরজু, নুরুজ্জামান রিপন, কাজী বাবু প্রমুখ। মালেক টাওয়ার থেকে শুরু হয়ে তেজগাঁ মহিলা কলেজের সামনে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।

উত্তর পশ্চিম থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল বিএনপি নেতা মোস্তফা কামাল হৃদয়ের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অংশ নেন সিহাব আহমেদ, মহিউদ্দিন তারেক, জাহিদ হোসেন, জাহাঙ্গীরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান ফাহিমের নেতৃত্বে বনানী থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন আলী আহমেদ মারুফ, সাইফুল, রাজীব, টিটুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বনানী থানা বিএনপির আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেনসাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান বাচ্চু, বিএনপি নেতা হবিউল্লাহ হবি, মাহমুদ উল্লাহ, আসাদুজ্জামান, আক্তার হোসেন, নয়ন ও রাজ্জাক প্রমুখ। এদিকে থানা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল এসএ সিদ্দিক সাজুর নেতৃত্বে শুরু হলে পুলিশি বাধায় তা পণ্ড হয়ে যায়।

ঢাকা মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল আলীম নকীর নেতৃত্বে গুলশান থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল গুলশান খেলার মাঠ থেকে শুরু হয়ে গুলশান ডিসিসি মার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিএনপি নেতা ফয়েজ আহমেদ ফরুর নেতৃত্বে রামপুরা থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন আবুল মেসের, আবুল হোসেন, শফিকুল ইসলাম ও মঈনুদ্দিন তুহিন প্রমুখ।

কাফরুল থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন মতির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশ নেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জাহান জাহান, বিএনপি নেতা আখতার হোসেন জিল্লু, থানা যুবদল সভাপতি আহসান উল্লাহ চৌধুরী হাসান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মিছিলটি কাজীপাড়া মাদ্রাসা মার্কেটের সামনে থেকে শুরু হয়ে শেওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।

এছাড়া ভাসানটেক, উত্তরখান, শেরেবাংলা নগর, রুপনগর, আদাবর, দক্ষিণ খান, তুরাগ, দারুস সালাম, উত্তরা পূর্ব থানায় মিছিল বের করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপিও থানা থানায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

শাহবাগ থানার ২০ (৫৬) নংওয়ার্ড বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল থানা বিএনপি নেতা রফিকুলইসলাম স্বপনের নেতৃত্বে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের গেট থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এই মিছিলে অংশ নেন বিএনপির নেতা শামসুদ্দিন ভুইয়া, তৌহিদুল ইসলাম, বাবু, হযরত আলী প্রমুখ।

সূত্রাপুর থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল মহানগর বিএনপি নেতা আবদুস সাত্তারের নেতৃত্বে ধোলাইখাল ড্রামপট্টি থেকে শুরু করে টংমার্কেট, কলতাবাজার হয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশ নেন বিএনপি নেতা আক্তর হোসেন, তানভীর, লিটন, ফরিদ, কাইয়ুম ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. নাদিম প্রমুখ।
মহানগর বিএনপিরসহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন খোকনের নেতৃত্বে লালবাগ থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল বকশীবাজার উর্দ্দ রোড লালবাগ চৌরাস্তা গিয়ে প্রদক্ষিণ করে।

লালবাগ থানার ৫৯, ৬০ ও ৬২ নংওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আরো একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বদিউল আলম সুইট, হোসেন সোহেল, শামীম সারোয়ার, ইসমাইল হোসেন প্রমুখ। মিছিটি নবাবগঞ্জ থেকে শুরু হয়ে লালবাগ গিয়ে শেষ হয়। কামরাঙ্গীর চর থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল হাজী মনির হোসেন ও হাজী রফিকুলের নেতৃত্বে বেড়ীবাধ এলাকা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোম্পানী ঘাটে গিয়ে শেষ হয়।

শ্যামপুর থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল আর সিনি গেট থেকে শুরু হয়ে আইজি গেট টিএন্ডটি অফিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান খান, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, মাহাবুব মাওলা হিমেল, নুরুল ইসলাম, মামুন, যুব নেতা মো. আনু, ছাত্র নেতা রবিন মৃধা প্রমুখ।

ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া হাজী নগর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন মহানগর বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদিন রতন (চেয়ারম্যান), আব্দুল হাই পল্লব।

মহানগর দক্ষিণ বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম সিরাজের নেতৃত্বে কলাবাগান থানা বিএনপির একটি একটি বিক্ষোভ মিছিল কাঁঠাল বাগান হামদর্দ ভবনের সামনে থেকে হাতিরপুল ঘুরে ইস্টার্নপ্লাজার সামনে আসলে পুলিশ মিছিলে বাধা দেয়। মিছিলে অংশ নেন বিএনপি নেতা কামাল নাসির, স্বেচ্ছসেবক দল নেতা টিপু, যুব নেতা নয়ন, আমান প্রমুখ।

ওয়ারী থানা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন গোলাম মোস্তফা সেলিম, মো. ইব্রাহিম মোল্লা, মাহাফুজুর রহমান মনা প্রমুখ। কদমতলী থানা বিএনপির উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন মীর হোসেন মীরু ও জুম্মন মিয়া।

তবে পল্টন থানা বিএনপির উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল এ্যারিস্টোফার্মার সামনে থেকে শুরু হলে পুলিশ মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। চকবাজার থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নাজিম উদ্দিন রোড থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। মিছিলে অংশ গ্রহণ করেন আব্দুল হাদী, আশরাফুল আলম বাবু প্রমুখ।

গেন্ডারিয়া থানা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন মকবুল ইসলাম টিপু ও আব্দুল কাদির। মুগদা থানা বিএনপির উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় মুগদা ওয়াসা রোড থেকে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন শামসুল হুদা, শেখ মো. আলী চায়না, শামসুল হুদা কাজল, নুরুল হুদা, দিপু চৌধুরী প্রমুখ।

কোতয়ালী থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল নয়াবাজার কাগজের মার্কেট থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এছাড়াও শাহজাহানপুর, হাজারীবাগ, খিলগাও, মতিঝিল,সবুজবাগ, রমনা, বংশাল, যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায়ও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।
অন্যদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা বিএনপির নেতারা।

সোমবার দুপুরের দিকে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিকের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন সাবেক এমপি সাইফুল আলম সাজা, নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান সরকার, আব্দুল মোন্নাফ আলমগীর, শহর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদ, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বাবু প্রমুখ।

মির্জা ফখরুলের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি। সকাল ১০টায় স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস সড়কের জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে নেতাকর্মীরা।

এসময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশ মিছিলটি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে নেতাকর্মীরা। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল মন্টু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর ও সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান খান বাপ্পি প্রমুখ।

মির্জা ফখরুলের ওপর হামলার প্রতিবাদে দিনাজপুর জেলা বিএনপি বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ করা হয়। দুপুর ১২টায় দিনাজপুর শহরের জেল রোডস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করার চেষ্টা করলে আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নিয়ে থাকা পুলিশের একটি দল এতে বাধা দেয়।
এনিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ড শুরু হয়। এক পর্যায়ে মিছিল বের করতে না পেরে দলীয় কার্যালয়ের সামনেই প্রতিবাদ সমাবেশ করেন দিনাজপুর জেলা বিএনপি। এতে সভাপতিত্ব করেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এজেডএম রেজওয়ানুল হক, সদস্য লুৎফর রহমান চৌধুরী মিন্টু, হাসানুজ্জামান উজ্জল, জুয়েল, রেজাউল ইসলাম, আনিসুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য রোববার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় টিম রাঙামাটি যাওয়ার পথে রাঙ্গুনিয়ায় হামলার শিকার হন। হামলায় বিএনপি মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাহবুবের রহমান শামীম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মীর ফাওয়াজ হোসেন শুভ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বকরসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।